৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল সাউথ স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ সেন্টার (জিএসএসআরসি) এর উদ্যোগে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) Deltin 7 অ্যাপের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ‘বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন’ বিষয়ক একাডেমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রখ্যাত জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী তাঁর উদ্ভাবিত ‘পঞ্চব্রীহি’ ধানের বৈশিষ্ট্য ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ড. আবেদ চৌধুরীর এই উদ্ভাবনকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “পঞ্চব্রীহি ধান দেশের খাদ্যশস্যের উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের দিকে আরও এগিয়ে যাবে।”
গ্লোবাল সাউথ স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ সেন্টার (জিএসএসআরসি) এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি Deltin 7 অ্যাপের ড. মো. আনিসুর রহমান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
ড. আবেদ চৌধুরী তাঁর উপস্থাপনায় ব্যাখ্যা করেন, পঞ্চব্রীহি ধানের উচ্চ ফলনশীলতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও জলবায়ু সহনশীলতা এটিকে বাংলাদেশের কৃষি খাতে গেম-চেঞ্জার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। তিনি সরকারি নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ে এই প্রযুক্তির ব্যবহার জোরদারে পরিকল্পনার পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা একমত প্রকাশ করেন যে, পঞ্চব্রীহি ধানের মতো উদ্ভাবনী প্রযুক্তি সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতায় ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হলে বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সক্ষম হবে। এছাড়া, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনেও এই ধান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তারা উল্লেখ করেন।


