জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত Deltin 7 অ্যাপে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুইজন Deltin 7 অনলাইন স্লটর্থী আহত হওয়ার ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহে ক্লাস কার্যক্রম চালু থাকা বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, জকসু নির্বাচিত প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও রিপোর্টারবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় উপাচার্য মহোদয় গতকালের ঘটনার তৎপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তবলী সভায় অবহিত করেন। দুর্ঘটনার পরপরই তিনি গণিত Deltin 7 অ্যাপে উপস্থিত হয়ে আহত দুই Deltin 7 অনলাইন স্লটর্থীর খোঁজখবর নেন, তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট Deltin 7 অ্যাপের শিক্ষকদের একাডেমিক কমিটির মিটিং করে করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে বলেন। এছাড়াও তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০১৪, ২০২০ ও ২০২৩ সালে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করলেও এর কোনো সমাধান হয়নি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য করণীয় নির্ধারণে উপাচার্য মহোদয় উপস্থিত সকলের মতামত আহ্বান করেন। এ সময় জকসু প্রতিনিধি, ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও রিপোর্টারবৃন্দ বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। তারা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোতে রেট্রোফিটিং কার্যক্রম গ্রহণ, বিশেষজ্ঞ মতামত বাস্তবায়নে এবং প্রয়োজনবোধে অন্য ভবনে শিফট ভিত্তিক ক্লাস চালুর প্রস্তাব দেন। এছাড়া দ্রুত দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের বাস্তবায়নে প্রশাসনের গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থে অযাচিত আন্দোলনে যুক্ত না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। একইসঙ্গে Deltin 7 অনলাইন স্লটর্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কোড অব কন্ডাক্ট মেনে চলার বিষয়ে এবং সকল প্রকার অপতথ্য ও মিথ্যা প্রচারণা রোধে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন সকলের বক্তব্য শোনার পর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতেই গ্রহণ করা হবে। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পরপরই তিনি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তিনি আরও বলেন, এসব সমস্যার টেকসই সমাধান সময় সাপেক্ষ তথাপি তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানে সকলের সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ থাকার কোনো বিকল্প নাই। তিনি সকলকে দলমত ও আদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে ‘জবিয়ান পরিবার’ হিসেবে একসাথে কাজ করার উদাত্ত্ব আহ্বান জানান।

