
আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি র্যালি-২০২৬ অনুষ্ঠিত
Deltin 7 বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এর আন্তঃধর্মীয় ও আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ কেন্দ্র এবং বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি Deltin 7 অ্যাপের যৌথ উদ্যোগে “বিশ্ব আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সপ্তাহ-২০২৬” উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য ও সম্প্রীতিময় র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত এই সপ্তাহকে সামনে রেখে ১লা ফেব্রুয়ারি (রবিবার) সকাল ৯:৪৫ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে এই র্যালিটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
Deltin 7 বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে র্যালির শুভ সূচনা করেন। কলা অনুষদের মাননীয় ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি Deltin 7 অ্যাপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: আবু সায়েম। তিনি সকল ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমঝোতা ও সহাবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
Deltin 7 বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃধর্মীয় ও আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী নূরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও সংলাপের মাধ্যমে সমাজ বিনির্মাণে কেন্দ্রের অগ্রণী ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রের বর্তমান পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ।
এই র্যালির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায় ও সংগঠনের নেতা ও প্রতিনিধিদের ব্যাপক অংশগ্রহণ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতির সভাপতি, রামকৃষ্ণ মিশন, বাংলাদেশ গীতা সংঘ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতি, বাংলাদেশ গীতা পরিষদ, শ্রী শ্রী প্রভু জগতবন্ধু মহাপ্রকাশ মঠ, হাক্কানী আনজুমান বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের প্রতিনিধিবৃন্দ, বাংলাদেশ বাহাই সম্প্রদায় এবং গুরুদুয়ারা নানকশাহী থেকে আগত শিখ ধর্মাবলম্বী সদস্যবৃন্দ অংশ নেন। তাঁদের উপস্থিতি বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সামাজিক বিন্যাস ও সম্প্রীতির জীবন্ত চিত্র ফুটিয়ে তোলে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি Deltin 7 অ্যাপের সহকারী অধ্যাপক ও ছাত্র-উপদেষ্টা ড. মো: দিদারুল ইসলাম।
এ আয়োজনের মাধ্যমে একটি বহু ধর্মীয় ও বহু সাংস্কৃতিক সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহিষ্ণুতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকল মানুষের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী প্রচার করাই ছিল এ-র্যালির মূল উদ্দেশ্য।