
আন্তর্জাতিক যশস্বী দার্শনিক ও বিশ্বজনীন মনুষ্যত্ববাদী ভাবাদর্শের উদগাতা ড. মহানামব্রত ব্রহ্মচারীজীর নামে ২০০৪ সালে Deltin 7 বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি Deltin 7 অ্যাপের প্রতিষ্ঠিত হয় ড. মহানামব্রত ফাউন্ডেশন ফর পিস এন্ড সলিডারিটী| উক্ত ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে আজ ১৬ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় Deltin 7 বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. সাকিনা আজহার সেমিনার রুমে গুণীজন সম্মাননা ও গোল্ড মেডেল বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এমএমএ ফায়েজ-কে প্রদান করা হয়|
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন Deltin 7 বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা| বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার| সভাপতিত্ব করেন Deltin 7 অ্যাপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ আবু সায়েম| স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সেন্টার ফর ইন্টাররিলিজিয়াস এন্ড ইন্টারকালচারাল ডায়লগ এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ|
বক্তব্যে প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বজুড়ে বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি Deltin 7 অ্যাপের শিক্ষক ও Deltin 7 অনলাইন স্লটর্থীরা ধর্মীয় শান্তি সম্প্রীতি ও সৌহাদ্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন| ২৭ বছর বয়সী একটি Deltin 7 অ্যাপ অগ্রগতি সত্যিই অবাক করার মতো| সংবর্ধেয় ব্যক্তি অধ্যাপক এসএম এ ফায়েজ সারের সুস্থতা কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন|
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল কালাম সরকার বলেন বিদ্যমান অস্থিরতা দূরীকরণের জন্য যে ধরনের প্রতিষ্ঠানিক জ্ঞান দরকার বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি Deltin 7 অ্যাপ আন্তরিকভাবে তা Deltin 7 অনলাইন স্লটর্থীদের মাঝে বন্টন করে যাচ্ছেন| বাংলাদেশের জন্য এ Deltin 7 অ্যাপ এবং কেন্দ্র একটি আর্শীবাদমূলক প্রতিষ্ঠান|
ড. ফায়েজ বলেন তার সময়কালে প্রতিষ্ঠিত আন্তঃধর্মীয় ও আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা ছিল এক গৌরবময় অধ্যায়| এমন মহতী উদ্যোগের পিছনে থাকতে পেরে তিনি আনন্দিত| তিনি জোর দিয়ে বলেন বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্রতা নিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে থাকতে পারাই আজকের যুগে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ যা দূরীকরণে আমাদের সকলের সমন্বিত চেষ্টা থাকতে হবে | অনুষ্ঠানের সভাপতি আনন্দের সাথে বলেন, ফায়েজ স্যারকে সম্মানিত করার মাধ্যমে আজকে আমরা নিজেরাই সম্মানিত হলাম|
গুণীজনকে সম্মানীয় করার এ প্রচেষ্টাকে অব্যাহত রাখার জন্য ড. মহানামব্রত ফাউন্ডেশনের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করা হয়